গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, ‘ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন না হলে দেশে আবারও এক-এগারোর মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। এর দায়ভার নিতে হবে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন ও গণঅধিকার পরিষদসহ সব দলেরকেই।’
শনিবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ‘রাষ্ট্র সংস্কার ও আসন্ন জাতীয় নির্বাচন’ শীর্ষক আলোচনাসভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
রাশেদ খান বলেন, ‘ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে কি না—এ নিয়ে জনমনে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। গত ১৬ বছরে শেখ হাসিনা যে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছেন, তা এখনো অটুট। তাই ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন না হলে আবারও এক-এগারোর মতো পরিস্থিতি তৈরি হবে এবং হাসিনা পুনরায় ক্ষমতায় ফিরে আসবেন। এজন্য ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন নিশ্চিত করা জরুরি। আমাদের দাবিতে পার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে কিছু অনিশ্চয়তা থাকলেও আমাদের অবস্থান স্পষ্ট—একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের আয়োজন করতে হবে। এখন আর নির্বাচনের বিকল্প এই দেশে কিছুই নেই। তাই আমাদের সবাইকে মিলে নির্বাচন আদায় করে নিতে হবে।’
গণঅধিকার পরিষদের এই নেতা বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কোনো প্রার্থী অংশ নিতে পারবে না। এ দেশে আর কোনো দিন ২০১৮ বা ২০২৪ সালের মতো ভোট হবে না। আমরা এমন এক নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি, যেখানে ফ্যাসিবাদের কোনো স্থান থাকবে না।’
পরে তিনি ঝিনাইদহ-৪ আসনের গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেনকে পরিচয় করিয়ে দেন এবং উপস্থিত জনতার কাছে তার পক্ষে ভোট চান। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল জাহিদ রাজন, যুব অধিকার পরিষদ ও ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা।




